Author

Shafiul

Browsing

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ – সম্প্রতি সময়ে সবচাইতে বেশী আলোচিত বইয়ের একটি। সমাজে বিশ্বাসীদের আর অবিশ্বাসীদের মধ্যে কথার দ্বন্দ লেগে আছে বহু বহু বছর থেকে। কেউ যখন বিশ্বাস করে যে ধর্ম মানব রচিত, কেউ তখন বিশ্বাস করে ধর্ম স্রষ্টা প্রদত্ত। বিশ্বাসীদের আটকে দেবার মত কিছু প্রশ্ন অবিশ্বাসীরা সব সময় পকেটে নিয়ে ঘুরে। যখন যেখানে সুযোগ মিলে, বিশ্বাসীদের ঘায়েল করবার জন্য এই মারাত্মক প্রশ্ন গুলি ছুড়ে দেওয়া হয়। তেমনই কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই বইতে।

এই লেখাটাকে ঠিক বই রিভিউ বলা যাবে কিনা বুঝতে পারছি না, তবে মিশ্র কিছু একটাতো হবেই। আমার জীবনে আমি কখনও হাতের লেখা ভালো করতে পারি নাই, তবে যখন লিখি, তখন মনে হয় সুন্দরইতো হচ্ছে, কিন্তু রিভাইস দিতে গেলে বুঝি আমিই আমার হাতের লেখা বুঝতে পারছি না। আর অনলাইনে যে সব লেখা লেখি করি, সেটার জন্যও এই থিউরি প্রযোজ্য। আল্লাহ জানেন “মুনির স্যার” শেষ পর্যন্ত এটা পড়বেন কি না!

নামকরণের কোন স্বার্থকতা নাই! এই কথাটা যদি স্কুল কলেজে থাকতে স্যারদের বুঝাইতে পারতাম, তাহলে কাজের কাজ হইতো। যদিও তখনও এতটা পরিস্কার ধারণা ছিলো না। আবার এখনও যে বুঝাইতে পারবো তারও কোন গ্যারান্টি নাই। যদিও আমার বিশ্বাস যে এই বিষয়ে আমার নিজের ধারণা এখন খুবই পরিস্কার। তবে যদি আপনাদের কাউকেই বুঝাইতে না পারি তাহলে গুরুজনেদের কথায় ধরে নিতে হবে যে আমার নিজেরই ধারণা পরিস্কার না। কেননা গুরুজনেরা বলেছেন, তুমি যদি তোমার কথা সোজা কথায় অন্যকে বুঝাইতে না পারো, তাহলে তোমার নিজের কথার সম্পর্কেই নিজের ধারণা নাই। যাই হোক, চেষ্টা করতে তো দোষ নাই।

Quality নাকি quantity? এ নিয়ে বিতর্ক যুগ-যুগের। আর এ বিষয়ে আমার বকবকানি শোনার আগে আপনি নিজেই ভোট দিন, কাজের মান (quality) নাকি কাজের পরিমান (quantity) বড়? যে কোন একটিকে ভোট দিন। দিয়েছেন? আসেন, এবার নিচের লেখা পড়ি।

চাকরী পাওয়ার জন্য সব মামা-চাচ্চুর ঠিকানে পাবেন এখানে! জ্বী হ্যাঁ ভাই-বোনেরা; আমার এই ব্লগে আজকে আমি সবাইকে ফ্রিতে চাকরী পাওয়ার জন্য সব মামা-চাচ্চুর ঠিকানা দিবো। অর্থাৎ এই লেখার সব ঠিকানা যোগাড় করে আপনাকে বেছে নিতে হবে মামা-চাচ্চুদের, যারা ভবিষ্যতে আপনাকে চাকরী পাইতে সহায়তা করবেন। তবে সাবধান; যাদের মাথায় সাধারণ মানের বুদ্ধি, তারা এই ঠিকানা গুলা নাও বুঝতে পারেন, শুধু যাদের মাথায় বেশ মোটা বুদ্ধি, তারা এটা বুঝবেন।

আসেন, গোবোরে লাথি দিয়া প্রমান করি আমি পারি! টাইটেল দেখে চমকানোটাই স্বাভাবিক। টাইটেলটা দেবার সময় আমিও ভাবছিলাম যে এমন একটা নেগেটিভ মার্কা পজেটিভ টাইটেল দিবো কি না। কিন্তু আমার সাথে ২০০৬ সালে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনার ফলে এই টাইটেলটাই রেখে দিলাম। আগে তাহলে ঘটনাটা বলে নেই। ঘটনাটা বললেই মনে হয় সব থেকে ক্লিয়ার হবে যে আমি কি বলতে চাইতেছি।

ঘটনা #১:

মাত্রই দেখলাম বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের আলভেজ এর দিকে বিপক্ষ দলের একজন দর্শক কলা ছুড়ে মেরেছেন। তিনি এটা নিয়ে কোন রকম প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে কলাটা উঠালেন, খেলেন এবং কর্ণার শট নিলেন। এবং পরে ঐ বেক্তি যে কলাটি ছুড়ে মেরেছিলেন তাকে ধন্যবাদ ও জনিয়েছেন এই খেলোয়াড় এবং বলেছেন যে ঐ কলাটি তাকে শক্তি যুগিয়েছিল, যার ফলে তিনি এমন ক্রস করতে পেরেছেন যাতে গোল হয়েছে।

আইডিয়া

আইডিয়া কি জিনিষ? খায় না মাথায় দেয়? নাকি কাজে খাটায়? আমার মনে হয় সবাই জানেন যে এটা কাজে খাটানোর মত কিছু, যা ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, দেখাও যায় না বা অনুভবও করা যায় না। শুধু চিন্তাতে রাখা যায়, আর সেটা কাজে পরিণত করে দেখান যায়।

অনেকের ধারণা যে আইডিয়া চুরি হয় বা চুরি করা সম্ভব। আমি বলব না! কিভাবে? পারলে ফেসবুকের আইডিয়া চুরি করে দেখান না। এখনই হয়ত আপনি বলবেন যে ফেসবুক মাইস্পেসের আইডিয়া চুরি করে ফেসবুক বানিয়েছে,  তাহলে আমি বলব, যদি আইডিয়া চুরি করে ভাল কিছু করা যায়, তো আইডিয়া চুরি হওয়াই ভাল!